সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

"কুঁড়ি"- প্রত্যুষ প্রভ কিস্কু

 

BengaliPoemKuriAgainstProstitution

ঘড়িতে দেখি সেকেন্ডের কাঁটাটা

তীব্র বেগে সময়ের ময়না তদন্তে ব্যস্ত!

শহরটা চুপচাপ - অন্ধকার!

পরকীয়া সোহাগ আর কোঁকড়ানো চাদরে " অনুভূতি " আপাদমস্তক আবৃত!

সোশ্যাল মিডিয়া, দূরদর্শন প্যানেলে- ত্রিত্ব প্রেমে চতুর্দশী,

ও চলেছে একা, অন্ধকার গলি!

কুকুরের কোরাস আর ঝিঁঝির শোরগোলে খুঁজে নিতে আশ্রয়,

অরক্ষিত পরিচিতি!

কত? বলে খামচে ধরে,

মাংস লোলুপ, পিশাচেরা!

রক্তটা নীলচে হয়েছে, বুকে এখনো জ্বলন্ত সিগারেটের ক্ষত!

আজ রাতে এটাই শেষ, ভেবে নেয় মনে মনে!

-বনলতা, প্যার সে, বিজলি!

বাবা "বেনু মা" বলে কত আদরে ডাকতো!

অঙ্গনে আজ শশ্মান সম, শুধু ছায়ের ঢিপি,

অশ্লীলতার বাঁধ ভেঙেছে,

চোখ অশ্রুসিক্ত নদী!

হটাৎ সে শুনতে পায়,

মা বলে, কে ডাকে!

শাড়ীর আঁচল আলোথালো, উন্মুক্ত অগ্রে, উগ্রতা ফুটে ওঠে!

জীবনে আছে, তিন বছরের, ছোট্ট একটা "কুঁড়ি "!

নোটে গাছটি মুড়োলে মুড়োক,

বেনু তো হারতে শেখেনি!

"বাবু কটা বাজে?"-

জিজ্ঞেস করে উত্তরের আশায়,

শিফট- শেষ, আজকের মতো!

"আমার কুঁড়িমা টা হয়তো, কাঁদতে থাকবে,

যদি আমায় দেখতে না পায়!"

বোতলটা ড্রেনেছুড়ে, বাবু ফিরে যাবে,

উত্তর না দিয়েই,

কিন্তু আজ সবেই উল্টো,

আলো জ্বলেছে, ওই শেষ কোনায় রাস্তাটা পেরিয়ে!

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)

 

লেদ মেশিন- মনোজ কুমার সরকার

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন অবিভক্ত বিহারের একটি অঞ্চলে কারখানার সুপারভাইজার।বেশিরভাগকর্মচারী অবাঙালী হলেও তাদের মধ্যে জনা পাঁচেক বাঙালীও ছিল। এদের মধ্যে আবার প্রিয়তোষ ছিল ম্যানেজার। ঐ যা হয়, ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তাছাড়া ও ছিল আমার মতই গ্রাজুয়েট। সত্যি কথা বলতে কি সারাজীবনে প্রিয়র মত বন্ধু আর কখনো পাইনি। আমি শুরুতেই মধুপুরের কাছে ঝিল্লি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালা সুখান রাম একদিন বলেছিল,"একটা কথা বলি বাঙালি বাবু, কিছু মনে করবেন না, এখানে আপনি একা থাকেন, কোনো বন্ধু জুটিয়ে লিন, বাড়িভাড়া আধা হয়ে যাবে"। আমারও কথাটা মনে ধরল। পরদিন কাজের ফাঁকে চুপিচুপি প্রিয়তোষ কে কথাটা বলতেই ও যেন হাতে চাঁদ পেল। খুবই খুশি হয়ে বলল,"এ তো খুবই ভালো প্রস্তাব, লোভনীয় তাতে সন্দেহ নেই, আমি যেখানে এখন থাকি তাকে ভদ্র পাড়া বলা চলে না,বুঝলে ভায়া কিছু চাষাভুসো খোট্টাদের বাস সেখানে। তারপর রাত্রিবেলা মাতাল হয়ে যা শুরু করে তাতে ঘুম তো দূরের কথা টেকা দায় হয়ে পড়ে"। আমি বাড়ি বদলানোর কথা বলতেই ও বললো,আজকে রবিবার, খুবই ভালো সময়। ওইদিন ছুটি আছে ফ...