সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রলম্বিত ছায়ার ভিড়ে- অপাংশু দেবনাথ

 

BengaliPoem

আমার ভেতর থেকে লাফিয়ে পড়ে কামার্ত বাঘ

আমার ভেতর থেকে ছুটে যাচ্ছে দূরন্ত প্রলাপ

আমার ভেতর থেকে বেরিয়ে বৃক্ষ অরণ্য হয়।


বহুদিনের শিশুটি  হারিয়ে গেছে অক্ষর-ভিড়ে

ধারাপাত ভরে উঠে কবিদের প্রলম্বিত ছায়ায়

একটিও এমন ছায়া পেলাম না যার তলে এসে

পড়তে পারি আমার সন্ন্যাস,প্রকৃত কবিতাটি। 


তোমারও ভেতরে এক মিছিল ছিলো জঙ্গী দুপুরে

ভালোবাসার রঙীন ঘুড়ি ছিলো মেধার আকাশে।


মিছিল ছুটে ঢেউএর পর ঢেউ তুলে, মিশে ভিড়ে।

ভিড়ে সেই মুখগুলো কোথায়? বৃষ্টি হবে জেনেও

ছাতাহীন বৃক্ষসব অরণ্যকে নিয়ে দাঁড়িয়েছে

নদীভাঙন রেখায়।তারপর চোরা স্রোত বয়


আমার ভেতর থেকে কুন্ডলী পাকিয়ে উঠে ঢেউ

তার উপর দাঁড়িয়ে বৈঠাহীন নৌকো ভাসাও।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)

 

লেদ মেশিন- মনোজ কুমার সরকার

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন অবিভক্ত বিহারের একটি অঞ্চলে কারখানার সুপারভাইজার।বেশিরভাগকর্মচারী অবাঙালী হলেও তাদের মধ্যে জনা পাঁচেক বাঙালীও ছিল। এদের মধ্যে আবার প্রিয়তোষ ছিল ম্যানেজার। ঐ যা হয়, ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তাছাড়া ও ছিল আমার মতই গ্রাজুয়েট। সত্যি কথা বলতে কি সারাজীবনে প্রিয়র মত বন্ধু আর কখনো পাইনি। আমি শুরুতেই মধুপুরের কাছে ঝিল্লি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালা সুখান রাম একদিন বলেছিল,"একটা কথা বলি বাঙালি বাবু, কিছু মনে করবেন না, এখানে আপনি একা থাকেন, কোনো বন্ধু জুটিয়ে লিন, বাড়িভাড়া আধা হয়ে যাবে"। আমারও কথাটা মনে ধরল। পরদিন কাজের ফাঁকে চুপিচুপি প্রিয়তোষ কে কথাটা বলতেই ও যেন হাতে চাঁদ পেল। খুবই খুশি হয়ে বলল,"এ তো খুবই ভালো প্রস্তাব, লোভনীয় তাতে সন্দেহ নেই, আমি যেখানে এখন থাকি তাকে ভদ্র পাড়া বলা চলে না,বুঝলে ভায়া কিছু চাষাভুসো খোট্টাদের বাস সেখানে। তারপর রাত্রিবেলা মাতাল হয়ে যা শুরু করে তাতে ঘুম তো দূরের কথা টেকা দায় হয়ে পড়ে"। আমি বাড়ি বদলানোর কথা বলতেই ও বললো,আজকে রবিবার, খুবই ভালো সময়। ওইদিন ছুটি আছে ফ...