সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রতীক্ষা- পাপড়ি সেনগুপ্ত



আর ক'টা দিন পরেই চলে যাবে ভাদর। 

আকাশটাতে থাকবে না আর কালো মেঘের চাদর।


আশ্বিন এলেই বর্ষা রানির বিদায় নেওয়ার পালা।

আসবে শরৎ সাজিয়ে নিয়ে শিউলি ফুলের ডালা।


নীল আকাশে হাসবে রোদ ভাসবে মেঘের ভেলা।

আগমনীর বাজবে সুর প্রাণে খুশির মেলা।


শিশির ভেজা দূর্বা ঘাসে শুনবো মায়ের চরণ ধ্বনি।

শিউলি ঝরা শারদ প্রাতে আসবে মা জগৎজননী।


আসায় আসায় প্রহর গুনি আগমনীর বার্তা শুনি।

গড়ছে কুমোর খড় মাটিতে মায়ের আমার মূর্তি খানি।


নদীর পাড়ে মাঠের ধারে ফুটবে কত কাশ ফুল।

তারাও যে মায়ের পরশ পেতে অপেক্ষাতে বড়ই ব্যাকুল।


দেরি যে আর সয় না মাগো আসবে কবে বলো নাগো?

প্রতিক্ষাতে আছি বসে মাগো তুমি এবার জাগো।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)

 

লেদ মেশিন- মনোজ কুমার সরকার

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন অবিভক্ত বিহারের একটি অঞ্চলে কারখানার সুপারভাইজার।বেশিরভাগকর্মচারী অবাঙালী হলেও তাদের মধ্যে জনা পাঁচেক বাঙালীও ছিল। এদের মধ্যে আবার প্রিয়তোষ ছিল ম্যানেজার। ঐ যা হয়, ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তাছাড়া ও ছিল আমার মতই গ্রাজুয়েট। সত্যি কথা বলতে কি সারাজীবনে প্রিয়র মত বন্ধু আর কখনো পাইনি। আমি শুরুতেই মধুপুরের কাছে ঝিল্লি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালা সুখান রাম একদিন বলেছিল,"একটা কথা বলি বাঙালি বাবু, কিছু মনে করবেন না, এখানে আপনি একা থাকেন, কোনো বন্ধু জুটিয়ে লিন, বাড়িভাড়া আধা হয়ে যাবে"। আমারও কথাটা মনে ধরল। পরদিন কাজের ফাঁকে চুপিচুপি প্রিয়তোষ কে কথাটা বলতেই ও যেন হাতে চাঁদ পেল। খুবই খুশি হয়ে বলল,"এ তো খুবই ভালো প্রস্তাব, লোভনীয় তাতে সন্দেহ নেই, আমি যেখানে এখন থাকি তাকে ভদ্র পাড়া বলা চলে না,বুঝলে ভায়া কিছু চাষাভুসো খোট্টাদের বাস সেখানে। তারপর রাত্রিবেলা মাতাল হয়ে যা শুরু করে তাতে ঘুম তো দূরের কথা টেকা দায় হয়ে পড়ে"। আমি বাড়ি বদলানোর কথা বলতেই ও বললো,আজকে রবিবার, খুবই ভালো সময়। ওইদিন ছুটি আছে ফ...