সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

উদ্বিগ্ন-পাপড়ি সেনগুপ্ত



ভাল্লাগেনা এই একঘেয়ে জীবন

থাকো ঘরে নইলে মরণ।

যেও না তুমি কারো বাড়ি,

হয়েছে যেন সবার আড়ি।

ঘরে বসেই দিন কাটাও

যা কিছু শখ ঘরেই মেটাও।

এভাবে কি আর জীবন চলে,

পিষছে মানুষ জাঁতা কলে।

ফোনেই সব কাজ সারো,

সামনে তুমি যেও না কারো।

কিভাবে যে কাটছে দিন,

অবস্থা বড়ই সঙ্গীন!

অসুখ বিসুখ ঘরে ঘরে,

বাঁচবে মানুষ কেমন করে?

চারি দিকে শুধু জ্বর জারি

প্রাণ কাড়ছে মহামারী!

কেবল দুশ্চিন্তায় দিন কাটে,

শখ সাধ সব উঠল লাটে।

কেউ না খেতে পেয়ে দিন কাটায়

আর বাঁচার কোনো নেই উপায়।

কত প্রিয় জনের যাচ্ছে প্রাণ

পথ দেখাও তুমি হে ভগবান।

ভাবলে বড়ই হতাশ লাগে!

ছিলাম বেশ দিব্যি আগে।

 


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

বাবা- কোয়েনা দাস

 কষ্টটাকে চেপে রেখে, হাসি ঠোঁটের কোণে  আদরগুলো চাপা থাকে , তাঁর ধমকই সবাই শোনে  মাথার উপর বটগাছ হয়ে দেয় আমাদের ছায়া  কঠোর মুখের গভীরেও তাঁর হাসিতে বড় মায়া | চাওয়া - পাওয়ার সব আবদার তাঁর কাছে দেয় ধরা  ছেলেবেলায় রোজ শোনাতেন ঘুম-পাড়ানি ছড়া , মেয়ে একদিন বড় হবে , যাবে শশুরবাড়ি  শতকষ্টেও বিদায় সে দেয় , মুখ করেনা হাঁড়ি  কাজের চাপে মাঝে মাঝে সময় ও পায় না  বাড়ির কথা মনে পড়ে , তবু কথা হয়না | সকাল বেলা বেরিয়ে সে যায় , কাজ থেকে ফেরে রাতে  তবু কন্যার আবদার সবই থাকে তাহার হাতে , মেয়ের ভালো রেজাল্ট হলে যার গর্বে ভরে বুক  মাঝে মাঝেই ঝিলিক দেয় উজ্জ্বল ওই মুখ  নিজের জন্য জিনিস কিনতে তাঁর ভীষণ অনীহা  সেই টাকাতে কিনবে মেয়ের বিয়ের জড়োয়া | কঠোর খোসার ভিতরে লোকানো নরম একটা মন  লক্ষ্য শুধু একটাই তাঁর - আমাদের আশাপূরণ , ক্লান্ত শরীর , টলমলে পা , তবু করতেই হবে রোজগার  টাকা ছাড়া চলবেনা দিন , তাঁর কাঁধেই গোটা সংসার  পারিপার্শ্বিক চাপেই বোধহয় তাঁর বাইরেটা হয় শক্ত  সবার মুখে হাসি ফোটাতে জল হয়ে যায় রক্ত | কাজের ফাঁকে যে মানুষটা একটু সময় প...

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)