সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

উদ্বিগ্ন-পাপড়ি সেনগুপ্ত



ভাল্লাগেনা এই একঘেয়ে জীবন

থাকো ঘরে নইলে মরণ।

যেও না তুমি কারো বাড়ি,

হয়েছে যেন সবার আড়ি।

ঘরে বসেই দিন কাটাও

যা কিছু শখ ঘরেই মেটাও।

এভাবে কি আর জীবন চলে,

পিষছে মানুষ জাঁতা কলে।

ফোনেই সব কাজ সারো,

সামনে তুমি যেও না কারো।

কিভাবে যে কাটছে দিন,

অবস্থা বড়ই সঙ্গীন!

অসুখ বিসুখ ঘরে ঘরে,

বাঁচবে মানুষ কেমন করে?

চারি দিকে শুধু জ্বর জারি

প্রাণ কাড়ছে মহামারী!

কেবল দুশ্চিন্তায় দিন কাটে,

শখ সাধ সব উঠল লাটে।

কেউ না খেতে পেয়ে দিন কাটায়

আর বাঁচার কোনো নেই উপায়।

কত প্রিয় জনের যাচ্ছে প্রাণ

পথ দেখাও তুমি হে ভগবান।

ভাবলে বড়ই হতাশ লাগে!

ছিলাম বেশ দিব্যি আগে।

 


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)

 

লেদ মেশিন- মনোজ কুমার সরকার

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন অবিভক্ত বিহারের একটি অঞ্চলে কারখানার সুপারভাইজার।বেশিরভাগকর্মচারী অবাঙালী হলেও তাদের মধ্যে জনা পাঁচেক বাঙালীও ছিল। এদের মধ্যে আবার প্রিয়তোষ ছিল ম্যানেজার। ঐ যা হয়, ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তাছাড়া ও ছিল আমার মতই গ্রাজুয়েট। সত্যি কথা বলতে কি সারাজীবনে প্রিয়র মত বন্ধু আর কখনো পাইনি। আমি শুরুতেই মধুপুরের কাছে ঝিল্লি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালা সুখান রাম একদিন বলেছিল,"একটা কথা বলি বাঙালি বাবু, কিছু মনে করবেন না, এখানে আপনি একা থাকেন, কোনো বন্ধু জুটিয়ে লিন, বাড়িভাড়া আধা হয়ে যাবে"। আমারও কথাটা মনে ধরল। পরদিন কাজের ফাঁকে চুপিচুপি প্রিয়তোষ কে কথাটা বলতেই ও যেন হাতে চাঁদ পেল। খুবই খুশি হয়ে বলল,"এ তো খুবই ভালো প্রস্তাব, লোভনীয় তাতে সন্দেহ নেই, আমি যেখানে এখন থাকি তাকে ভদ্র পাড়া বলা চলে না,বুঝলে ভায়া কিছু চাষাভুসো খোট্টাদের বাস সেখানে। তারপর রাত্রিবেলা মাতাল হয়ে যা শুরু করে তাতে ঘুম তো দূরের কথা টেকা দায় হয়ে পড়ে"। আমি বাড়ি বদলানোর কথা বলতেই ও বললো,আজকে রবিবার, খুবই ভালো সময়। ওইদিন ছুটি আছে ফ...