সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সেই ছেলেটা- সৌমী আচার্য্য



 পা মুড়ে ছেলেটা আঁকে ঝাঁকড়া মাথায়

ওর পায়ের পাতায় সাফল‍্য রোদ্দুর হয়ে খেলে

ছেলেটার আলতো দাড়ি বেভুল চোখ

সন্ন্যাসী হবার অহংকার ঠোঁটে, চিরস্হায়ী

নরম পায়ে হাত রাখি গোপনে,ইচ্ছে মতো

ডুবতে চাইলে এমন পদ্ম সরোবরই তো চাই। 

খাদির চাদর গায়ে জড়ালে কোপাই জুড়ে শঙ্খ লাগে...

কোন মেয়ে ওকে ছেড়ে গেছে? তাকে সই পাতাই।

এই ছেলেকে দূরে রাখলেই ভাবসমুদ্র একার

কাছে এলেই সৌজন‍্য ঝুলিয়ে রাখি মুখে

হিসেব কষে কষে শাড়ির আঁচল টানি ভদ্রতার বাস্তবে

চাঁদ ডাকলে চোখ বন্ধ করে দেখি উদাস মুখ

জাপটে রাখি অক্ষর দিয়ে আঁচড়ে দিই মাথা

অপূর্ণ সাধের মতো টাটকা রেখে বলি

এই ছেলেটা আমার সোহাগ মাখবি?


অন্ধকার দিগন্তে তারা খসে...

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

বাবা- কোয়েনা দাস

 কষ্টটাকে চেপে রেখে, হাসি ঠোঁটের কোণে  আদরগুলো চাপা থাকে , তাঁর ধমকই সবাই শোনে  মাথার উপর বটগাছ হয়ে দেয় আমাদের ছায়া  কঠোর মুখের গভীরেও তাঁর হাসিতে বড় মায়া | চাওয়া - পাওয়ার সব আবদার তাঁর কাছে দেয় ধরা  ছেলেবেলায় রোজ শোনাতেন ঘুম-পাড়ানি ছড়া , মেয়ে একদিন বড় হবে , যাবে শশুরবাড়ি  শতকষ্টেও বিদায় সে দেয় , মুখ করেনা হাঁড়ি  কাজের চাপে মাঝে মাঝে সময় ও পায় না  বাড়ির কথা মনে পড়ে , তবু কথা হয়না | সকাল বেলা বেরিয়ে সে যায় , কাজ থেকে ফেরে রাতে  তবু কন্যার আবদার সবই থাকে তাহার হাতে , মেয়ের ভালো রেজাল্ট হলে যার গর্বে ভরে বুক  মাঝে মাঝেই ঝিলিক দেয় উজ্জ্বল ওই মুখ  নিজের জন্য জিনিস কিনতে তাঁর ভীষণ অনীহা  সেই টাকাতে কিনবে মেয়ের বিয়ের জড়োয়া | কঠোর খোসার ভিতরে লোকানো নরম একটা মন  লক্ষ্য শুধু একটাই তাঁর - আমাদের আশাপূরণ , ক্লান্ত শরীর , টলমলে পা , তবু করতেই হবে রোজগার  টাকা ছাড়া চলবেনা দিন , তাঁর কাঁধেই গোটা সংসার  পারিপার্শ্বিক চাপেই বোধহয় তাঁর বাইরেটা হয় শক্ত  সবার মুখে হাসি ফোটাতে জল হয়ে যায় রক্ত | কাজের ফাঁকে যে মানুষটা একটু সময় প...

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)