সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সেই ছেলেটা- সৌমী আচার্য্য



 পা মুড়ে ছেলেটা আঁকে ঝাঁকড়া মাথায়

ওর পায়ের পাতায় সাফল‍্য রোদ্দুর হয়ে খেলে

ছেলেটার আলতো দাড়ি বেভুল চোখ

সন্ন্যাসী হবার অহংকার ঠোঁটে, চিরস্হায়ী

নরম পায়ে হাত রাখি গোপনে,ইচ্ছে মতো

ডুবতে চাইলে এমন পদ্ম সরোবরই তো চাই। 

খাদির চাদর গায়ে জড়ালে কোপাই জুড়ে শঙ্খ লাগে...

কোন মেয়ে ওকে ছেড়ে গেছে? তাকে সই পাতাই।

এই ছেলেকে দূরে রাখলেই ভাবসমুদ্র একার

কাছে এলেই সৌজন‍্য ঝুলিয়ে রাখি মুখে

হিসেব কষে কষে শাড়ির আঁচল টানি ভদ্রতার বাস্তবে

চাঁদ ডাকলে চোখ বন্ধ করে দেখি উদাস মুখ

জাপটে রাখি অক্ষর দিয়ে আঁচড়ে দিই মাথা

অপূর্ণ সাধের মতো টাটকা রেখে বলি

এই ছেলেটা আমার সোহাগ মাখবি?


অন্ধকার দিগন্তে তারা খসে...

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)

 

লেদ মেশিন- মনোজ কুমার সরকার

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন অবিভক্ত বিহারের একটি অঞ্চলে কারখানার সুপারভাইজার।বেশিরভাগকর্মচারী অবাঙালী হলেও তাদের মধ্যে জনা পাঁচেক বাঙালীও ছিল। এদের মধ্যে আবার প্রিয়তোষ ছিল ম্যানেজার। ঐ যা হয়, ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তাছাড়া ও ছিল আমার মতই গ্রাজুয়েট। সত্যি কথা বলতে কি সারাজীবনে প্রিয়র মত বন্ধু আর কখনো পাইনি। আমি শুরুতেই মধুপুরের কাছে ঝিল্লি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালা সুখান রাম একদিন বলেছিল,"একটা কথা বলি বাঙালি বাবু, কিছু মনে করবেন না, এখানে আপনি একা থাকেন, কোনো বন্ধু জুটিয়ে লিন, বাড়িভাড়া আধা হয়ে যাবে"। আমারও কথাটা মনে ধরল। পরদিন কাজের ফাঁকে চুপিচুপি প্রিয়তোষ কে কথাটা বলতেই ও যেন হাতে চাঁদ পেল। খুবই খুশি হয়ে বলল,"এ তো খুবই ভালো প্রস্তাব, লোভনীয় তাতে সন্দেহ নেই, আমি যেখানে এখন থাকি তাকে ভদ্র পাড়া বলা চলে না,বুঝলে ভায়া কিছু চাষাভুসো খোট্টাদের বাস সেখানে। তারপর রাত্রিবেলা মাতাল হয়ে যা শুরু করে তাতে ঘুম তো দূরের কথা টেকা দায় হয়ে পড়ে"। আমি বাড়ি বদলানোর কথা বলতেই ও বললো,আজকে রবিবার, খুবই ভালো সময়। ওইদিন ছুটি আছে ফ...