সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রবি রয় চেতনায়- প্রিয়া চৌধুরী চ্যাটার্জী

 

তোমার সৃষ্টিরা আজও মহীয়সী

তোমার লেখার জোর, আজও সদর্পে তার জায়গা ধরে রেখেছে

মাঝে কেটে গেছে কত বছর.. তবুও মরচে পড়েনি,

সেদিনের মতোই সমান ধারালো তোমার লেখনী

মাঝে কত কবি এলো গেলো

তবু তোমার সৃষ্টি অধরা থেকে গেলো

স্বপ্ন ভাঙ্গার যন্ত্রণায় যতবার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছে

তোমার ভাবনার মোহগুলি বাঁচার শক্তি হয়ে উঠেছে।

ইতিহাস জানে...

কত ভালো মন্দের সাক্ষী থেকেছো

কত মানুষের স্বপ্নকে বাঁচাতে শিখিয়েছো

তোমার সৃষ্টি গুলিকে যতবার বিশ্লেষণ করেছি

নব নব রূপে তোমায় খুঁজে পেয়েছি।

আজও তোমার চিন্তা শক্তির জাগরণ দেখে, মোহিত হতে হয়।

সৃষ্টির গুনে কবি আজও রবি হয়ে রয়।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

বাবা- কোয়েনা দাস

 কষ্টটাকে চেপে রেখে, হাসি ঠোঁটের কোণে  আদরগুলো চাপা থাকে , তাঁর ধমকই সবাই শোনে  মাথার উপর বটগাছ হয়ে দেয় আমাদের ছায়া  কঠোর মুখের গভীরেও তাঁর হাসিতে বড় মায়া | চাওয়া - পাওয়ার সব আবদার তাঁর কাছে দেয় ধরা  ছেলেবেলায় রোজ শোনাতেন ঘুম-পাড়ানি ছড়া , মেয়ে একদিন বড় হবে , যাবে শশুরবাড়ি  শতকষ্টেও বিদায় সে দেয় , মুখ করেনা হাঁড়ি  কাজের চাপে মাঝে মাঝে সময় ও পায় না  বাড়ির কথা মনে পড়ে , তবু কথা হয়না | সকাল বেলা বেরিয়ে সে যায় , কাজ থেকে ফেরে রাতে  তবু কন্যার আবদার সবই থাকে তাহার হাতে , মেয়ের ভালো রেজাল্ট হলে যার গর্বে ভরে বুক  মাঝে মাঝেই ঝিলিক দেয় উজ্জ্বল ওই মুখ  নিজের জন্য জিনিস কিনতে তাঁর ভীষণ অনীহা  সেই টাকাতে কিনবে মেয়ের বিয়ের জড়োয়া | কঠোর খোসার ভিতরে লোকানো নরম একটা মন  লক্ষ্য শুধু একটাই তাঁর - আমাদের আশাপূরণ , ক্লান্ত শরীর , টলমলে পা , তবু করতেই হবে রোজগার  টাকা ছাড়া চলবেনা দিন , তাঁর কাঁধেই গোটা সংসার  পারিপার্শ্বিক চাপেই বোধহয় তাঁর বাইরেটা হয় শক্ত  সবার মুখে হাসি ফোটাতে জল হয়ে যায় রক্ত | কাজের ফাঁকে যে মানুষটা একটু সময় প...

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)