সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আজকের কবিতা কোলাজ- পারমিতা চক্রবর্ত্তী গোস্বামী ও পিয়াষা মহলদার




অন্ধকারের চোখ -পারমিতা চক্রবর্ত্তী গোস্বামী

মাঝ রাতের কালো ঠেলে ঘুম ভাঙ্গলো।

একটা কিছু খুঁজছিলাম,স্বপ্নেই মনে হলো।

ঘরটা খালি আমার, বিছানায় বই এলোমেলো।

যতোটা অগোছালো হলে ঠিক,বেকারত্বের কাছে হার মেনে নেয় শিক্ষা,ততটাই বিক্ষিপ্ত মনের কোন গুলো।

জল খেয়ে বসে আছি। অন্ধকার যেন চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে আষাঢ়ের বৃষ্টি স্নাত আমার অনাবৃত চিবুক।

হঠাৎ ফোন বেজে উঠলো চেনা মানুষের নামে।

নিকষ কালো অন্ধকারের চোখকে উপেক্ষা করে

কথা চলতে থাকলো।ভোর হলো ভালোবাসায়...!


বিশ্ব দেখো বন্দী হয়েছে - পিয়াষা মহলদার

জীবন আজ করাল মৃত্যুর গ্রাসে।

বিষাক্ত বায়ুতে শুধুই মারণ ভাইরাস

এ যেন আমাদের ভয়ের রাজ্যে বাস।

জীবন চক্র থেমে গেছে রোগের প্রকোপে

বন্দী হয়ে আছি যেন অজানা সন্তাপে।

মিলবে কবে এর থেকে মুক্তির অবকাশ

বিশ্ববাসী সেই আশায় ফেলছে দীর্ঘশ্বাস।

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

বাবা- কোয়েনা দাস

 কষ্টটাকে চেপে রেখে, হাসি ঠোঁটের কোণে  আদরগুলো চাপা থাকে , তাঁর ধমকই সবাই শোনে  মাথার উপর বটগাছ হয়ে দেয় আমাদের ছায়া  কঠোর মুখের গভীরেও তাঁর হাসিতে বড় মায়া | চাওয়া - পাওয়ার সব আবদার তাঁর কাছে দেয় ধরা  ছেলেবেলায় রোজ শোনাতেন ঘুম-পাড়ানি ছড়া , মেয়ে একদিন বড় হবে , যাবে শশুরবাড়ি  শতকষ্টেও বিদায় সে দেয় , মুখ করেনা হাঁড়ি  কাজের চাপে মাঝে মাঝে সময় ও পায় না  বাড়ির কথা মনে পড়ে , তবু কথা হয়না | সকাল বেলা বেরিয়ে সে যায় , কাজ থেকে ফেরে রাতে  তবু কন্যার আবদার সবই থাকে তাহার হাতে , মেয়ের ভালো রেজাল্ট হলে যার গর্বে ভরে বুক  মাঝে মাঝেই ঝিলিক দেয় উজ্জ্বল ওই মুখ  নিজের জন্য জিনিস কিনতে তাঁর ভীষণ অনীহা  সেই টাকাতে কিনবে মেয়ের বিয়ের জড়োয়া | কঠোর খোসার ভিতরে লোকানো নরম একটা মন  লক্ষ্য শুধু একটাই তাঁর - আমাদের আশাপূরণ , ক্লান্ত শরীর , টলমলে পা , তবু করতেই হবে রোজগার  টাকা ছাড়া চলবেনা দিন , তাঁর কাঁধেই গোটা সংসার  পারিপার্শ্বিক চাপেই বোধহয় তাঁর বাইরেটা হয় শক্ত  সবার মুখে হাসি ফোটাতে জল হয়ে যায় রক্ত | কাজের ফাঁকে যে মানুষটা একটু সময় প...

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)