সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আশা- রুদ্র দেবনাথ



কালোত্ব মাঝে সাদা আবছায়া

নিঃসঙ্গ গ্রহচারী পৃথিবীর বুক

আশ্রিত ছায়ামূর্তি তরুর ন্যায়

জোছনাময় কুয়াশাগুমোট রাত

নিথর পরশে দাঁড়িয়ে থাকে । 

অশ্রুসজল চোখ,  

তারার জোনাক ঝলকানি । 

রাঙিত আকাশে শত সহস্র 

কবির স্বপ্নজাল বোনা তখনও 

থামে না, চলতেই থাকে.... 

তবু আনন্দ-বেদনায় উদ্বেলিত 

ক্ষণিকের মলিন আকাশ

কখনো কাউকে শব্দ তীরে 

বিদ্ধ করে না । 

নিজ মধ্যে স্বল্পখসিত তারার 

শোক ভুলে টানিত বুকে 

বৃদ্ধ-শিশুর প্রেরণা জোগাতে

সোনালী রবি'র প্রহর গুনতে থাকে । 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে তাপসী সিংহ ( রচনা - অংশুমান কর)

 

সাপ্তাহিক কবিতা আসর- কণ্ঠে অনামিকা চৌধুরী (রচনা - পিনাক প্রামানিক)

 

লেদ মেশিন- মনোজ কুমার সরকার

বহুদিন আগের কথা। আমি তখন অবিভক্ত বিহারের একটি অঞ্চলে কারখানার সুপারভাইজার।বেশিরভাগকর্মচারী অবাঙালী হলেও তাদের মধ্যে জনা পাঁচেক বাঙালীও ছিল। এদের মধ্যে আবার প্রিয়তোষ ছিল ম্যানেজার। ঐ যা হয়, ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তাছাড়া ও ছিল আমার মতই গ্রাজুয়েট। সত্যি কথা বলতে কি সারাজীবনে প্রিয়র মত বন্ধু আর কখনো পাইনি। আমি শুরুতেই মধুপুরের কাছে ঝিল্লি এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালা সুখান রাম একদিন বলেছিল,"একটা কথা বলি বাঙালি বাবু, কিছু মনে করবেন না, এখানে আপনি একা থাকেন, কোনো বন্ধু জুটিয়ে লিন, বাড়িভাড়া আধা হয়ে যাবে"। আমারও কথাটা মনে ধরল। পরদিন কাজের ফাঁকে চুপিচুপি প্রিয়তোষ কে কথাটা বলতেই ও যেন হাতে চাঁদ পেল। খুবই খুশি হয়ে বলল,"এ তো খুবই ভালো প্রস্তাব, লোভনীয় তাতে সন্দেহ নেই, আমি যেখানে এখন থাকি তাকে ভদ্র পাড়া বলা চলে না,বুঝলে ভায়া কিছু চাষাভুসো খোট্টাদের বাস সেখানে। তারপর রাত্রিবেলা মাতাল হয়ে যা শুরু করে তাতে ঘুম তো দূরের কথা টেকা দায় হয়ে পড়ে"। আমি বাড়ি বদলানোর কথা বলতেই ও বললো,আজকে রবিবার, খুবই ভালো সময়। ওইদিন ছুটি আছে ফ...